1. [email protected] : ProtikhonBarta :
বুধবার, ২১ এপ্রিল ২০২১, ০১:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কবি গবেষক মুহাম্মদ শামছুল হক বাবু ও কবি ইশরাক আরা লাইজু নিমনির “অনুভবের কথামালা” বইয়ের মোড়ক উন্মোচন। সাতগাঁও গণমূল্যায়ন পরিষদের পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন,আবেদ সভাপতি,আলমগীর সাধারন সম্পাদক,লিটন সাংগঠনিক। দুই বাংলার জনপ্রিয় স্যাটেলাইট চ্যানেল এক্সপ্রেস নিউজ টিভির গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি আবেদ আহমেদ। সাংবাদিক কন্যা আদিবা সুলতানা আফরিন এর শুভ জন্মদিন আজ নওগাঁর সাপাহারে মাল্টা চাষে ব্যাপক সম্ভাবনা: বাজারজাত নিয়ে বিপাকে চাষীরা! শ্রীমঙ্গলে শীতার্ত ও অসহায় মানুষের পাশে তানিয়া আক্তার হবিগঞ্জে অস্ত্রসহ দুই ডাকাত আটক কারাগারে প্রেরণ নওগাঁর সাপাহারে রক্তদাতা সংগঠনের শীতবস্ত্র বিতরণ প্রতিক্ষণ বার্তার নামে প্রকাশিত মিথ্যা সংবাদ এর তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ। প্রকাশিত মিথ্যা সংবাদ এর বিরোদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ।
নোটিশ:
সাংবাদিক নিয়োগ চলছে.. যোগাযোগঃ 01719-763530, 01713-685053 ইমেল করুনঃ [email protected]

হাসপাতালের মর্গে রাখা মৃত নারীদের ধর্ষণ করতো মুন্না ভগত!

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ২০ নভেম্বর, ২০২০
  • ১৪৩ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্কঃ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা মৃত নারীদের ধর্ষণের অভিযোগে মুন্না ভগত (২০) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। মুন্না রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে তার মামা ডোম জতন কুমার লালের সহযোগী হিসেবে কাজ করতো।

বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) রাতে সিআইডি পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতার মুন্না সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে ডোম জতন কুমার লালের সহযোগী হিসেবে কাজ করে। দুই-তিন বছর ধরে সে মর্গে থাকা মৃত নারীদের ধর্ষণ করে আসছিল।

সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম বিভাগের প্রধান অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ মো. রেজাউল হায়দার বলেন, ‘জঘন্যতম ও খুবই বিব্রতকর অভিযোগ। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতার পরই ওই যুবককে গ্রেফতার করেছে সিআইডি।’

তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন স্থান থেকে যেসব লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে নেয়া হতো, সেসব লাশের মধ্য থেকে মৃত নারীদের ধর্ষণ করতো মুন্না।’

অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ মো. রেজাউল হায়দার আরো বলেন, ‘শুক্রবার (২০ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সংবাদ সম্মেলন করে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।’

সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে দায়িত্বরত ডোম ও মুন্নার মামা জতন কুমার লাল জানান, মুন্না গত দুই/তিন বছর ধরে তার সহযোগী হিসেবে মর্গে কাজ করতো। তার বাবার নাম দুলাল ভগত। গ্রামের বাড়ি রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ বাজারে। সে আরো দুই/তিন জনের সঙ্গে মর্গের পাশে একটি কক্ষেই রাতে থাকত।

মুন্নার বিরুদ্ধে মৃত নারীদের ধর্ষণের অভিযোগ প্রসঙ্গে জতন লাল কুমার বলেন, ‘মুন্না মাঝে মধ্যে গাঁজা বা নেশাটেশা করতো। কিন্তু এরকম একটি কাজ সে করতে পারে, তা ভাবতেই পারছি না।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন